কবিতা - উপহার, কবি - অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়
উপহার
অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়
একটা অবিশ্বাস্য ঘূর্ণন। কতোকাল পেরিয়ে যাওয়া। এখনও ভাঙা ব্যাট টা দেখি।এই ব্যাট আর মা ভীষণ ভাবে অবিচ্ছেদ্য। আমার সবুজ মাঠ ও ক্রিকেট নিয়ে একটা অপূর্ণ প্রেম।অনেকখানি মার প্রশ্রয়ে বেড়ে উঠেছিল।কোন মহীরুহ হতে পারে নি। হয়ত হয়েছিল ছোট বা মাঝারি মাপের কোন গাছ। ঐ ব্যাট দিয়ে বল শাসনের অভিপ্রায় হয়ে উঠেছিল। একদিন এইরকম খেলাকালীন ব্যাট ভেঙে দিয়েছিল কালিদাস। কালিদাস খেলার সাথী কিন্তু অনুরক্ত ছিল না।
হৃদয় নিয়ে উত্তাপ অনুভব করতাম মার দেওয়া উপহার। এখন মা নেই। আমিও বয়স ভারে খেলা থেকে দূরে। তবুও ভাঙা ব্যাট দেখি।
ভেসে ওঠে সিনেমার ছবির মতন। বাকহীন সময় গড়ায় মেঝেতে পড়ে থাকা জলের মতন...
@ অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়, বেহালা, কলকাতা -৭০০০৬০

শিরোনাম_বিশ্বকবি গবেষনা
কলম_কিশোর ব্যানার্জ্জী
স্মৃতির পাতায় লেখা আছে বিশ্বকবি
ভাবিনি মনে কখনো দেওয়ালে ছবি।
নোবেল প্রাপ্ত আর কেউ রাখেনা মনে
ভুলে যাওয়া ভাইরাস ঢুকেছে সবারে।
একসময় ভেবেছিলাম রবীন্দ্র গবেষনা যদি হয় সাহিত্যিক চর্চা আলোচনা মুলক পর্যায় ।
ভাবলে কি হবে সামাজিক বিসৃঙ্খলা
সবকিছু অন্ধকারে দিয়েছে ফেলে দেখছি তার চেহারা।
আয়নায় দেখা যায় বিশ্বকবি অপে ক্ষান্ত ভাবনায় আসেনা।
কি আর করা যাবে আর তো বাঙালী
এলো না বিশ্বকবি রুপে
হয়ত তাহলেও সাহিত্যিক নিয়ে গবূষনা করা যেতে পারে।
বাংলা ভাষার ডালি নিয়ে আসবে কে
আগে যেসব মহাপুরুষ ছিল তাদের কে ফিরিয়ে নিয়ে আসবে।
এখন সে মহাপুরুষ নেই যে সাহিত্যিক চর্চার পাঠশালা করবে।
আছে তবু জানি না তিনি কত দুর
গবেষনা কেন্দ্রকে সাফল্য মন্ডিত করে বিশ্ব জয় হবে।
সাহিত্যাক গবেষনা এখন স্বপ্নে থাক
চর্চায় আলোচনাকে নিয়ে যাওয়া যাক।
এখন তো হাজারো হাজারো কবি ও
সাহিত্যিক তৈরী হয়ূছে সূটাই বা কম কি
চলছে চলুক না এইভাবে একদিন তো সুখের সাহিত্যিক ফিরে পাওয়া যাবে।