কবিতা - আমার মায়ের মাতৃত্বের মহাকাব্য, রচনায়: প্রফেসর ড. মোস্তফা দুলাল

 












আমার মায়ের মাতৃত্বের মহাকাব্য

রচনায়: প্রফেসর ড. মোস্তফা দুলাল

পিএইচডি (ঢাবি) বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা)

কবি, লেখক, শিক্ষাবিদ ও কথা সাহিত্যিক 


মনটা মায়ের মায়া মাখা

                   উদার সাগর কূল কিনার নেই,

নামলে পরে সেই সাগরে

                    হয়না ঠাওর হারায় যায় খেই।

হৃদ দরিয়ায় অশান্ত ঢেউ

                    জোয়ার ভাটা বয়ে চলে,

হাসপাতালের নার্সের মতো

                     নির্ঘুম খাড়া বেমার হলে।

কালো মেঘের ছায়া নামে

                    চাঁদ বদনী বদন খানায়,

শ্রাবণ ধারা গড়ায় যেন

                    পলকবিহীন চোখ দু'খানায়।


টাইটানিকতো দেখা হয়নি

                    দেখেছি পরিবার তরি,

সেই বজরার বাইত বৈঠা 

                       মায়ে মস্ত যতন করি।

ভরা ভেলা বাইতে গিয়ে

                      হাতে পায়ে ফোস্কা পড়ে, 

স্বপ্নের হালখান ছাড়েন নিকো

                       জোয়ার ভাটা ঝন্ঞ্ছা ঝড়ে।

চালায় গেছেন গলুই বসে

                    নৌকা বাইচের কঠিন খেলা,

তিরে এসে ভিড়ে খেয়া 

                   জীবনের শেষ বিকেল বেলা।


তেরেসাকে দেখিনিতো

                  দেখেছি মা'র অন্তরের বল,

একাত্তরে স্নেহ মায়ায়

                 সেবিছে মুক্তি যোদ্ধার দল।

মুক্তি পাগল আহতদের

                    সেবা কর্মের ফাঁকে ফাঁকে,

স্বাধীনতার জন্য সবার

                   হৃদ ক্যানভাসে ছবি আঁকে।

মা জননীর ক্ষত মুছে

                   ভারত থেকে বিজয় বেশে,

ফিরে এসে সংসার কিশতির

                  হালটা ধরেন স্বাধীন দেশে।


মনটা মাতার শারদ রাণী

                     কাশ কুসুমের মোহন মেলা,

চিন্ময় চিন্তার জোছনা হাসে

                       পূর্ণিমার চাঁদ করে খেলা।

খেলার ছলে বিজ্ঞানের নাও

                        পাঠের পানসি উজান গেলে,

সুখী সবে সাম্পান যখন

                       সুখ সাগরে নোঙর ফেলে।

চাঁদের আলোয় আলোকিত

                      রাস্তা ধরে হাঁটছি সবাই,

জোছনা মাখা গোলাপ গুচ্ছের

                        শুভেচ্ছাটা মাকে জানাই।

উল্লেখ্য যে "আমার মায়ের মাতৃত্বের মহাকাব্য" শিরোনামের কবিতাটি প্রফেসর ড. মোস্তফা দুলাল রচিত মননশীল সৃজন কাব্যগ্রন্থে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত হয়েছে।

Next Post Previous Post
1 Comments
  • Kishor banerjee
    Kishor banerjee ১২ মে, ২০২৬ এ ৮:৫৩ PM

    আমার কবিতা
    ভাবনায় বিশ্বকবি
    কিশোর ব্যানার্জ্জী
    স্মরণে আসে ভেসে বিশ্বকবির নোবেল প্রাপ্তিকা ধেয়ে আসে মনের প্রতীক্ষা থাকবে তো মাটির নীচে ব‌ক্ষের ভুল।

    হৃদয়ে জড়িয়ে আছে আলপনায় কবির ছবি আঁকি।
    হারিয়ে যাওয়া বিরহ মনে বিশ্বকবির কবিতা ভাসে
    নিবিড় মনে গান গাই খেয়ালী মন একলা চলো রে।
    ঐ দেখা যায় বৃক্ষে বসে কোকিল সুরে গায় রবীন্দ্রসংগীত
    হে মোর প্রিয় কবি আছ তুমি কৈরা শোনো ঐ মধুর গীত।
    ভোরের আকাশে দেখি আছ তুমি ছবির মত
    সুর্যের লাল আভায় তোমার উজ্বলতায় বিভোরে উন্মত্ত।
    আজ তুমি নেই জানি না কোথায় আছ নিরবে শুধু ভাবি আর ভাবি
    আকাশের মেঘে মেঘে লেখা কবিতা ভাবনায় আঁকি।
    রাস্তায় বৃক্ষ যেন সারি সারিএক অলীক চিত্রাঙ্কন
    ভেবে পাইনা তুমি কি অন্তর্যামী নানা গুনের স়ংকীর্তন।
    হায় রে বিধাতা কেন তুমি নিয়ে গেলে বিশ্বকবি কে,আমাদের কে দেখবে
    জীবিত থাকবে কি করে আকাঙ্খা যবণীকাতে।
    দিনের সুর্য রাতের চন্দ্র তারা হয়ে আছে হৃদয়ে তাই গাছে ফোটে ফুল
    যবণীকা ধেয়ে আসেমনের প্রতীক্ষা মাটির নীচে থাকবে তো বৃক্ষের মুল।
    আজ আর নেই হৃদয় শুন্যতা বায়ু আর চলাচল করে না
    প্রকৃতির লীলা বোঝা ভার আবার কি দেখা হবে বিশ্বকবির কবিতা।






Add Comment
comment url