শীতচোখে কাঁথা-কম্বলের লুকোচুরি, কলমে - ওয়াহিদা খাতুন
ওয়াহিদা খাতুন ( Wahida Khatun) , একটি উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে সাহিত্যের শিক্ষিকা, ও সম দায়িত্বে একজন কবি, গীতিকার। মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম বঙ্গ, ভারত। ২০২১ সালে অডিশনে পাস করে Zodiak Muzik কোম্পানীর স্টাফ গীতিকার গ্রুপের একজন হয়েছেন। প্রায় আড়াইশ প্রতিযোগীর মধ্যে পাস করা মাত্র পনেরো জনের মধ্যে উনিও একজন। কলিকাতার এক প্রকাশনী থেকে বেরুচ্ছে এক শত কুড়িটি বাংলা সনেটের সংকলন গ্রন্থ। " ভয় " এই পূর্ণ দৈর্ঘের সিনেমায় দুটি গান লিখেছেন। সিনেমা রিলিজড হয়েছে ২০২৩, এপ্রিলে। এছাড়াও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটো গল্প অবলম্বনে"ঘাটের কথা" সিনেমাতে দুটি গান লিখে MIFFA থেকে পেলেন Best Lyricist Award 2026. সিনেমা ও ইউটুবে রিলিজ হওয়া অনেক গান ইউটুবে পাবেন। অয়ন্তিকা চক্রবর্তী, বিদুষী হৈমন্তি শুক্লা, কুমার চঞ্চল, সুপ্রীতি বিশ্বাস হালদার, মৌ আচার্য, শৈবাল চৌধুরি,সৌমিন্দ্র কুমার,মিস প্রীতি, অঞ্জনা চৌধুরী, রবিন ব্যানার্জী, শাশ্বত বসু প্রমুখ অনেকেই ওয়াহিদার গান গেয়েছেন ও গাইছেন। প্রথম প্রকাশিত বাংলা গান " কেনো কাঁদো মা গো আমার ", সুর আর-কে-পাল, Mother voice : অয়ন্তিকা চক্রবর্তী, ও প্রথম প্রকাশিত ইংরেজি গান " We are all brothers in the world ", Music ; Kumar Chanchal, Mother Voice : Mou Acharjee. দিয়েই সংগীতের মাঠে নেমেছিলেন। তারপর পরপর পথ চলেছে। সাহিত্যের বহু বিষয়ে কাজ করতে চান। ২০২৩, নভেম্বরে, কবিতা ও সঙ্গীত রচনার জন্য আসামে পেলেন আন্তর্জাতিক স্বর্ণ পদক, মাদার টেরেজা গোল্ড এওয়ার্ড ও ড. ভূপেন হাজারিকা স্মৃতি সম্মাননা স্মারক। বিভিন্ন পত্রপত্রিকা, সংকলন ও ওয়েবসাইটে উপস্থিত।
শীতচোখে কাঁথা-কম্বলের লুকোচুরি
ওয়াহিদা খাতুন
আকাশের খিড়কি খুলে হিমানী-কন্যা হিমচাদরের শ্বেত-বিছানা বিছিয়ে দিয়েছে ট্রোপোস্ফিয়ারের কেন্দ্রবিন্দুতে,,,,,
আলোকরশ্মির শিড়দাঁড়া বেয়ে গলনাঙ্কের পারদশিখা ভূত্বকের মুখমন্ডলে নীলতাপ হয়ে সেজে রয়েছে সর্বত্র।
রাতের পাখোয়াজ, তারাদের ঘুমচোখ, বিটপীর উদর, কংক্রিটের জানালা আর শ্বাপদের নাক ভেদ করে হামাগুড়ি দিচ্ছে মাঘের শীতচোখ !
নৈশভোজের দরজায় টোকা দিতে দিতে পর্দা সরিয়ে তরতরিয়ে ওঠে গিয়ে হাত-পা ছড়িয়ে চিতিয়ে পড়লো পালঙ্কে।
আমার শিরাউপসিরায় শিরশিরানি জাগিয়ে খেলতে থাকে শ্রিঙ্গার হয়ে,,,,,, আর ঊষ্ণ শরীরের চৌকাঠ জুড়ে কাঁথা-কম্বলের কানাকানি !
শীতচোখ পিউপিল হয়ে অনায়াসেই পৌঁছে যায় কাঁথা-কম্বলের রেটিনায়।
ঊষ্ণ শরীরের অর্কিড জুড়ে চলতে থাকে শীতচোখে কাঁথা-কম্বলের লুকোচুরি।
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
রচনাকাল: ১১/০১/২০২৪ রাত ১০ টা বেজে ৩২ মিনিট।
