প্রবন্ধ - কবিতা ও কৃষি, কলমে - ইলা দাস

 


ইলা দাস - এর ফটো


                                                    কবিতা ও কৃষি

                                                   ইলা দাস


       কবিতা এবং কৃষির সম্পর্ক সুপ্রাচীন ও নিবিড়। সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিকরা সবসময়ই গ্রামীণ জীবন, ফসল উৎপাদন, এবং কৃষকদের অবদানের প্রতি সম্মান  জানিয়ে বাংলা সাহিত্যে কৃষি ও কৃষকের অবস্থান অত্যন্ত প্রিয়ময় বোলেই মনেহয়।প্রাচীন চর্যাপদ থেকে শুরু করে মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য   এবং আধুনিক কবিতা—সব জায়গাতেই মাটির গন্ধ ও কৃষকের শ্রমের জয়গান গাওয়া হয়েছে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুধু কবিতাই লেখেন নি, বরং আধুনিক কৃষির রূপকার হিসেবেও কাজ করেছিলেন; তিনি কৃষকদের উন্নয়নে পতিসর ও শিলাইদহে কৃষি ব্যাংক স্থাপন করেছিলেন। কষিকর্মের ওপর গুরুত্ব দিয়ে গুরুদেব লেখেন,


'আমরা চাষ করি আনন্দে,

মাঠে মাঠে বেলা কাটে

সকাল হতে সন্ধে

রৌদ্র ওঠে, বৃষ্টি পড়ে,

বাঁশের বনে পাতা নড়ে

বাতাস ওঠে ভরে ভরে

চষা মাটির গন্ধে।।

সবুজ প্রাণের গানের লেখা

রেখায় রেখায় দেয় রে দেখা

মাতে রে কোন তরুন কবি

নৃত্য-দোদুল ছন্দে।।

ধানের শিষে পুলক ছোটে

সকল ধরা হেসে ওঠে

অঘ্রানেরই সোনার রোদে

পূর্ণিমারই চন্দ্রে।'১


            প্রত্যেকটি ভাষার কবিতায় স্বাভাবিক চলবার একটা বিশেষ ভঙ্গী আছে এবং সেটা অনুসরণ করে ভাষার ছন্দ তৈরী হয়, সেখানে সুপরিমিত বাক্য বিন্যাস থাকে, থাকে পরিশীলিতভাবে গতিকে নান্দনিক করা এবং শব্দশৈলীকে নতুন অথচ আধুনিক উপস্থাপণ ও মাত্রা গননের প্রয়োজন; তাছাড়া কেবলমাত্র যেখানে ভাব ও রসের মননকে গতিশীল করে ধ্বনি যা ব্যাঞ্জনার সহযোগিতা নিয়ে উপমা অনুপ্রাস ও অলংকার সন্নিবেশিত করতে হয়। মূলত কবিতার অংগনে,

       ' আধুনিক বাংলা ছন্দে যেমন বুদ্ধিমত্তার প্রয়োজন তেমনি শ্রুতিগ্রাহ্যও প্রয়োজন। ছন্দ রস , ভাবরস  ও কাব্যরস একে অপরের 

পরিপৃরক। তাল-লয় ছন্দ ছাড়া কবিতার গঠনশৈলী  পরিপৃর্ণ  হয় না, ঠিক তেমনি উচ্চারণ  সঠিকভাবে বূঝতে না পারলে বা নিয়মিত না হলে ছন্দ পরিমিত হয় না।'২ মূলত কবিতার মাঝে থাকে ছন্দ, আবার ছন্দেই কবিতার পূর্ণতা।


           

      কৃষকদের ওপর কবিতা,

কৃষিকাজের পাশাপাশি বাংলার অনেক সাধারণ মানুষের কথাও তাঁদের দৈনন্দিন সংগ্রাম, প্রকৃতির সাথে নিবিড় সম্পর্ক এবং ফসলের ফলন নিয়ে কবিতা চর্চায় উঠে আসে, যা বাংলার লোকসংস্কৃতির এক অনন্য রূপ। এছাড়াও কৃষি তথ্য সার্ভিসের মতো বিভিন্ন সরকারি সংস্থা আধুনিক কৃষির প্রসার ও কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে নিয়মিত 'কৃষিকথা' ম্যাগাজিনে কৃষি বিষয়ক কবিতা প্রকাশ করে থাকে। কৃষির  ওপর ভিত্তি করে কবিতা হলো,

' ভোর না হতেই লাঙল কাঁধে  মাঠ পানে কে ধায়?

সে আমাদের কৃষক, উহার বাস আমাদের গাঁয়।

কত সরল, কত মধুর , ওদের জীবন ভাই,

কুঁড়ে ঘরে বাস উহাদের, দালান কোঠা নাই।

মোটা কাপড় পরে ওরা খায় সে মোটা ভাত,

কষ্ট করে কোন মতে কাটায় দিন রাত।

এত অভাব তবু ওদের নেই তো মনে দুখ,

সব সময়ে দেখি ওদের হাসি ভরা মুখ।

মিথ্যা কথা কয় না ওরা অতি সরল মন,

পরের কিসে ভাল হবে, তাই ভাবে সব খন।

কঠিন মাটি লাঙল দিয়ে চাষ করে নিজ হাতে,

বুকের স্নেহ ঢেলে সোনার ফসল ফলায় তাতে।

চাষী ওরা, নয় কো চাষা , নয় কো ছোটলোক,

ওরা বড়, ওরা মহৎ, ওদের ভাল হোক।'৩

 

          কৃষিকাজের পাশাপাশি কৃষকের কবিতা রচনার দারুণ প্রতিভা  দেখতে পাওয়া যায়।

 কৃষি তথ্য সার্ভিস 

উদ্ভাবন করেছেন উচ্চফলনশীল ধান, আলু, ভুট্টা ও গম ডাল, তেল ও চিনি । উদ্ভাবিত হয়েছে অনেক উচ্চফলনশীল আধুনিক জাত খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা।

          ফলত কৃষিতে কবিতা, আবার কবিতায় কৃষি-বিষয়। দু'য়ের মহামিলনে ঋদ্ধি ও সমৃদ্ধি, যেন পরিপূরকবৃত্তিতে সমায়ক আবেষ্ট ন  ও পরিপুষ্টন। সমসয়িক সত্যে সময় ও কবিতায়ণ, যেন কবিতাবৃত্তে জীবন দর্শনের পরিক্রমণ ও পরিবর্ধন। একটি আবেশ অধ্যায়কে অনুষঙ্গী করে বলা যায়,

' সে চেয়েছিল 

একটি সত্যিকারের 

প্রেমের কবিতা লিখতে।


কী লেখে সে,

কবিতা? না কবিতা

রচনা করে তাকে?


আমি ছেড়ে যেতে চাই

কবিতা ছাড়ে না।


কবিতা পবিত্র লিপি...

অপবিত্র  হাতে তাকে 

স্পর্শ কোরো না।


দুপুরে টেবিলে ঝুকে 

লিখছিলাম কবিতা ,

তুমি ঘরে এসে

দাঁড়ালে টেবিল ঘেঁষে


ওই কবিতার সঙ্গে সারারাত থাকতে ইচ্ছা করে।


কবিতা তো কৈশোরের স্মৃতি।

সে তো ভেসে ওঠা ম্লান

আমার মায়ের মুখ।'৪

      বিশেষ পর্যালোচনাসাপেক্ষে বলা যায়, কৃষি তথা

কৃষিবিজ্ঞান হলো জীব ও প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের একটি বহু-বিভাগীয় শাখা, যা ফসল উৎপাদন, পশুপালন, মাটি ব্যবস্থাপনা এবং খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ নিয়ে আলোচনা করে। এটি মূলত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে কৃষি কাজের উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।

আমরা জানি, 

       এই কৃষি 'জমিতে ক্রমাগত ফসল উৎপাদন , ভূমিক্ষয় ও অন্যান্য নানা কারণে মাটিতে উদ্ভিদ খাদ্য- উপাদানগুলি নি:শেষিত হ্য়ে গিয়ে ঘাটতির সৃষ্টি করে। এর ফলে মাটির উর্বরতা ও উৎপাদিকাশক্তি কমে যায়। সে জন্য মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি ও সংরক্ষণ, ভৌত ব্যবস্থার 

উন্ন য়ণ , হিতকারী জীবানুদের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, উদ্ভিদ খাদ্যের চাহিদাপূরণ ইত্যাদির জন্য জমিতে নিয়মিত জৈব ও অজৈব রাসায়নিক সার প্রয়োগ করা প্রয়োজন।'৫

কবিদের কবিতা সৃষ্টির ক্ষেত্রেও, তারা যদি অতিরিক্ত কবিতা রচনায় ব্রতী হয়, তবে কবিতার মান নিম্নগামী হয়, তখন কৃষিতে সার প্রয়োগের মতো, কবিকে পঠনপাঠন,কবিতা-মনন ও চর্চায় ব্রতী হতে হয়।


      কবিতা রচনার ক্ষেত্রে, কৃষিতে কর্ষণের মতো, সময়-ভাব-ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রিয়চর্চার মাধ্যমে কবিতা রচনা করে থাকেন, সেখানে অনন্য ইতিকথা প্রাধান্য পায়, পায় বাস্তবতার বিশ্বাস অবলম্বনে বৈচিত্রময় সৃষ্টির অবগাহন। কবি কাল এবং কালের গভীরে গিয়ে প্রকাশে সহগামী হন, হন অন্তর্নিহিত অবগাহনের অংশী। বলা যায়,  বর্ষাকন্যার মধ্য দিয়েও কবিগন তার সৃষ্টির সাথে কৃষি ও মাটির সাথে এক অনন্য ক্যানভাসময় হয়ে ওঠেন। একটি কবিতা,

' অম্বর উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে

আকাশ তার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে

মেঘের সাগরে উথলে পড়ছে ঢেউয়ের জলোচ্ছ্বাস

চোখ রাঙাচ্ছে বজ্রের আওয়াজ আর উচ্ছ্বাস

মেঘের সুনামি নেমে আসছে শ্রাবণের ভূবনে

জোয়ার এসেছে বর্ষাকন্যার নয়নে

তার গালের পথ বেয়ে চলেছে সে হেঁটে

পাট-চাষীরা সুখ-স্বপ্নকে বুকে জড়িয়ে ধরেছে আনন্দতে।


সন্ধ্যার বৃষ্টি মাটির বুকে আদরের ট্যাটু আঁকছে

ঝিঁঝিঁপোকা আর ব্যাঙ বাতাসে ঊষ্ণতার বারতা ছড়াচ্ছে

আমি বারান্দায় বসে তাদের পাণে চেয়ে আছি

আর মনের ক্যানভাসে রোমান্টিসিজমের আল্পণা আঁকছি

পাড়ি দিচ্ছি মেঘেদের দেশে

         ...................' ৬


          কৃষিবিজ্ঞানের প্রধান শাখা, কৃষিবিজ্ঞানের পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত। এর প্রধান

 শাখাগুলো কৃষিতত্ত্ব, মাঠের ফসল উৎপাদন ও মাটি ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করে। তাছাড়া,

মৃত্তিকা বিজ্ঞান মাটির গঠন, গুণাগুণ ও উর্বরতা নিয়ে গবেষণা করেএবং

উদ্ভিদ রোগবিদ্যা ও কীটতত্ত্ব ফসলের রোগবালাই ও ক্ষতিকর পোকামাকড় দমন নিয়ে কাজ করে ,এবং করে কৃষিজ পণ্যের উৎপাদন খরচ, বাজারজাতকরণ ও লাভ-ক্ষতির হিসাব নিয়ে কাজ করে। কৃষিবিজ্ঞানের বৃহত্তর ও সার্বিক বিষয়ের কবিতার বিচরণ থাকে, কেন না কবিতা সর্বত্র বিশেষত, থাকে, বিষয়বিধানে।বলা চলে,


          'কৃষি বিজ্ঞান বা কৃষিগত বিজ্ঞান জীববিজ্ঞানের একটি বিস্তৃত বহু-বিভাগীয় ক্ষেত্র যা সঠিক, প্রাকৃতিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক বিজ্ঞানের অংশগুলিকে ধারণ করে ...কৃষিবিজ্ঞান হলো সেই শাখা যা কৃষি সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ের অধ্যয়ন করে। এতে ফসল উৎপাদন, মাটি বিজ্ঞান, উদ্ভিদ বিজ্ঞান, প্রাণী পালন, পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণে থাকে।'৭


          আমরা জানি,

কবিতা হলো শব্দের নান্দনিক বুনন যা আবেগ, দর্শন ও বাস্তবতার মেলবন্ধন ঘটায় , এবং একটি পূর্ণাঙ্গ কবিতার আলোচনায় বিষয়বস্তু, প্রকাশভঙ্গি প্রকরণ, অলংকার ও কবির অন্তর্নিহিত বার্তা বিশ্লেষণ করা হয়, তা ছাড়া,সঠিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে কবিতার গভীরে লুকিয়ে থাকা সুর ও অর্থ, সহজেই উপলব্ধি করা যায়। একটি কবিতা,


'কবিতা সবার,সময়ের কথা

অকপটে তুলে ধরে

কাগজ-কলম সঙ্গী সাথী

কবিরা কবিতা পড়ে।' 

       .................

জীবনের কাছে প্রতিধ্বনি, সুখ দুঃখের

এই-ই কবিতা এবং কবিতা, পারস্পরিক,


প্রয়োগ পরিচয়লিপি প্রাসঙ্গিক রোজ,

যেন ধূলোময়ে ধবলীর খুরের চিহ্ন,

আঘাতে প্রত্যাঘাতে ভেসে যাওয়া বেলা,

সুরমা সম্পর্কে এসে কখনো হয় বেলাভূমি।'৮


      কৃষিই পৃথিবীর বেশীর ভাগ দেশের বনিয়াদ।কৃষি-গৌরব অতি প্রাচীন কাল থেকেই বিশ্বকে বিষ্মিত ও প্রলুব্ধ করে। কৃষিতে কৃষক তার প্র করণগত  প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গুরুত্ব বহন করেছে। তবে কৃষি জমিতে ক্রমাগত ফসল ফলানোর ফলে জমির উর্বরতা কমে এবং তা 

সঠিক করবার জন্য সারের প্রয়োগ করতে হয়। বলা চলে,

      'জমিতে ক্রমাগত ফসল উৎপাদন , ভূমিক্ষয় ও অন্যান্য নানা কারণে মাটিতে উদ্ভিদ খাদ্য-উপাদানগুলি নিঃশেষিত হয়ে গিয়ে ঘাট্ তির সৃষ্টি করে ।এর ফলে মাটির উর্বরতা ও উৎপাদিকা শক্তি কমে যায়। সে জন্য মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি ও সংরক্ষণ , ভৌত অবস্থার উন্নয়ন, হিতকারী জীবাণুদের কার্যকারিতা বৃদ্ধ, উদ্ভিদ খাদ্যের চাহিদাপূরণ ইত্যাদির জন্য জমিতে নিয়মিত জৈব ও অজৈব রাসায়নিক সার প্রয়োগ করা প্রয়োজন।'৯

কবিগনও অতিরিক্ত কবিতা লেখার ফলে কবিতা মান কমে যায়। তখন কবিরাও পঠনপাঠন, চর্চা ও অনুশীলনের মাধ্যমে আবার উৎকৃষ্ট মানের কবিতা রচনা করতে পারেন। কৃষিতে রাসায়নিক সারের প্রয়োগ, কবিদের ক্ষেত্রে, পূনর্চচা এবং পুনর্ণুশীলনের মতো।

         অপর দিকে কবিতার গঠন ও বিশ্লেষণ প্রক্রিয়া

একটি সফল কবিতা আলোচনার ক্ষেত্রে সাধারণত,প্রেক্ষাপট  ও কবির উদ্দশ্য বর্তমান থাকে; তাছাড়া বাস্তবতা 

প্রকরণ ও অলংকারেরও অনবদ্যতা থাকে। কবিতা তার প্রিয় শিষ্টাচারের অংগনে সমুদ্যত ও প্রিয়ব্রতময় থাকে যেখানে সন্নিধান সমৃদ্ধির সাথে অনন্তকালের প্রত্যয়ে থাকে, থাকে সমান্তরালে। একটি সনেট,

' যে শিষ্টাচারে তোমাকে দেখেছি কবিতা,

সেখানেও সমুদ্য ত নীলাকাশ যেন

একক এবং পূর্ণ তীর্থে নিত্য বার্তা 

হয়ে ফিরে ফিরে আসে । কে জানে যে কেন?


কবিতা, তোমার তো হে ছুটি নেই, সত্য,

কোনোদিন কোনো লগ্নে, যাবতীয় যোগে

প্রিয়ব্রত, প্রিয়ময় হয়ে যে সর্বতো 

সন্নিধান খোঁজে, খোঁজে দীপ্ত প্রিয়রাগে।


রীতিমাত্র নয়, নয় কভূ  ক্ষণস্থায়ী। 

কালের ধারায় কাল, তাকে ধরে রাখে,

কবিতা-সমৃদ্ধি সাথে; নয় পরিযায়ী

অনন্তকালে, সে-ই তো ঋদ্ধ নিত্য থাকে।


কবিতা, তুমি তো আছো, থাকবেই কালে

কালে , থাকবে প্রত্যয়ে যে সমান্তরালে।'১০

         কৃষি প্রকৃতির অংগ। তাই তো প্রকৃতির সমূহ বর্ণন ও গভীরতা বোধের বিন্যাসে কৃষি অংগবাহী ও অংশবাহী হয়।


তথ্যসূত্র

১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর; রবীন্দ্র সংগীত;  www.net;

২. ফারুক প্রধান; আধুনিক ছন্দের শিকড় সন্ধানে; স্বপ্নের ভেলা পত্রিকা; মুর্শিদাবাদ;প.ব.; -৭৪২২০১; ২০২৪; ডিসেম্বর পৃ-২৯;

৩.গোলাম মোস্তাফা; www.net;

৪. কবিতা ঈন্টারনেট; www.net;

৫. বিজয়কৃষ্ণ ঘোষ ও সমীরণ বন্দ্যোপাধ্যায়; আধুনিক কৃষিবিজ্ঞান,শ্রীধর প্রকাশনী; কল- ৬;২০১৯; পৃ- ৬০;

৬. মো. এজাজ আহামেদ; বর্ষাকন্যা; ২০২৩; পড়ন্ত সন্ধ্যা; ঠিকানা, ১-নং-এর মত;  পৃ-৬৯,

৭. কৃষিবিজ্ঞান; www.net;

৮. ইলা দাস; কবিতা এবং কবিতা; মাধুকরী; শ্রীশ প্রকাশনী; কল-৯৪;২০১৫; পৃ-৭১;


৯. ৫- নং'এর মতো; পৃ- ৬০;

১০.   তাৎক্ষণিক সনেট; এম.দাস;

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url