প্রবন্ধ - কবিতা ও অর্থনীতি, লেখক - ড.মনোরঞ্জন দাস
কবিতা ও অর্থনীতি
ড.মনোরঞ্জন দাস
কবিতা হলো মানুষের অনুভূতি ও কল্পনার প্রকাশ, আর অর্থনীতি হলো অর্থ, সম্পদ ও জীবনযাত্রার বিজ্ঞান। অর্থনীতি মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে, আর কবিতা তাকে বাঁচার অর্থ খুঁজে দেয়। এদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। কবিতার ভাষায় জীবনের অর্থনৈতিক কষ্ট, বৈষম্য ও স্বপ্নের কথা ফুটে ওঠ।
কবিতা হলো সাহিত্যের এমন এক শিল্পরূপ, যেখানে ছন্দের সুষম বিন্যাস , উপমা এবং চিত্রকল্পের সাহায্যে কবির গভীর আবেগ, অনুভূতি ও কল্পনাকে সুমধুর ভাষায় প্রকাশ করে যেখানে ভাষিরীতি ও শব্দের ঝংকার বিশেষ গুরূত্ব পায়। সঙ্গে সঙ্গে কবিতার সর্বাঙ্গায়ণে চলে ভাঙা গড়া। এখানেই আধুনিকতা। বলা চলে,
' কাব্য কবিতায়ও ঘটছে অনিবার্য প্রতিফলন। বাংলা কবিতায়ও চলেছে সেই ভাঙাগড়ার প্রয়াস। এককালে বাংলা কবিতা যখন বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমাবেষ্টনীর মধ্যে ক্ষীণস্রোতা গতানুগতিকতার শুষ্ক বালুকাময় প্রান্তরে যখন মৃতপ্রায়, তখন রবীন্দ্রনাথই বিশ্ব সাহিত্যের সঙ্গে বাংলা কবীতার স্থাপন করলেন প্রথম যোগবন্ধন।'১
আবার আমরা এটাও জানি, অর্থনীতির মূল বিষয় হলো মানুষ। মানুষ কী চায়, কী ভাবে—এটাই অর্থনীতির ভিত্তি। আর কবিতার কাজ হলো মানুষের এই আশা ও ভালোবাসাকে সুন্দর ভাষায় তুলে ধরা। অর্থনৈতিক বৈষম্য বা দারিদ্র্যের কারণে সমাজে যে কষ্ট তৈরি হয়, তা প্রতিবাদ হিসেবে কবিতার রূপ নেয়। উদাহরণস্বরূপ, কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা মানুষের অধিকার ও শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল।
অর্থনীতি হলো একটি ছক বা অংক। একটি ভালো কবিতা পড়ার সময় মনে হয় যেন আমরা অর্থনীতি নিয়ে ভাবছি। মূলত,
' সামাজিক বিজ্ঞানের মতো অর্থশাস্ত্র একটি গতিশীল সামাজিক বিজ্ঞান। অন্যান্য বিজ্ঞানের মতো বিভিন্নসূত্র এবং তত্ত্বের অবতারণা করে গনিত ও রাশিবিজ্ঞানের মাধ্যমে এই সামাজিক বিজ্ঞানটি অনেকক্ষেত্রে সর্বজনীনভাবে সত্য এবং বাস্তব অর্থনৈতিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে। আবার, সমস্যার সমাধানের ইঙ্গিত বা পরামর্শও দেয় এই শাস্ত্র। ইহা, কেন দারিদ্র ঘটে শুধু তার কারণ বলে না, তা দূর করার উপায়ও বলে দেয়।
' আবার, দারিদ্র দূর করলে সমাজের কতটা উপকার হবে একথাও এই শাস্ত্র ইঙ্গিত দেয়।তাই এই বিজ্ঞান শুধু আলোকবাহী নয়, ফলদায়ীও বটে। ...অর্থবিদ্যার সংজ্ঞা এবং তার আলোচ্য বিষয়, দুষ্প্রপ্যতা ও পছন্দের সমস্যা, সুযোগ ব্যয়, উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা ও তার গুরুত্ব, উৎপাদনের চারটি উপকরণের বৈশিষ্ট্য আলোচনা করে। তাছাড়া, অর্থবিদ্যায় মানূষে মানুষে এবং মানুষ প্রকৃতির ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার বিষয়টি আলোচনার পাশাপাশি উৎপাদন কিভাবে দুষ্প্রাপ্য সম্পদ ও প্রযুক্তিবিদ্যার ওপর নির্ভরশীল সে বিষয়েও আলোচনা করে।'২
সার্বিক বিশ্লেষায়নে কবিতার যেমন, ছন্দ, শব্দ, ভাব, বাক্যের সাথে বিষয়, ঘটনা, সময় ও দার্শনিকতার অঙ্গন থাকে,থাকে পয়ার, সনেট, ছড়া, পঞ্চ, ত্রিপদী প্রভৃতি, তেমনি অর্থনীতিতে থাকে সুখ ও সমৃদ্ধির সমাহারে আয়, ব্যয় ও উৎপাদনের বৃত্তে মাইক্রো, ম্যাক্রো, গ্রোথ,কৃষি-উন্নয়ন, সার্বিক ধীর-উন্নয়ন, ব্যাঙ্কিং, শিল্পোন্ন য়ণ, নারীর আর্থিক উন্ন য়ণ প্রভৃতি। সর্বতো কবিতা ও অর্থনীতির গভীরে এবং মূলে থাকে মানুষের মৌলিক ও সার্বিক উন্নয়ন। অর্থনীতিতে ভাবনার সাথে কবিতার প্রাসঙ্গকতা বিদ্যমান। এখানে মানুষের কাজের সাথে সম্পদেরও কার্যকলাপেরও গুরুত্আছে। বিস্তৃতায়ণে বলা চলে,
' অর্থনীতির সজ্ঞায় সম্পদের ওপর গুরুত্ব না দিয়ে মানুষের কাজের ওপর গুরূত্ব দেয়া হয়েছে। মানুষ দৈনন্দিন জীবনে নানা কাজ করে এই সমস্ত কাজের মধ্যে যে কাজগুলি মানষের ব্যাক্তিগত কল্যাণের সঙ্গে জড়িত সেগুলি নিয়ে আলোচনাই অর্থনীতির কাজ। ফলে অর্থনীতি যেমন একদিকে সম্পদের আলোচনা করে অন্যদিকে তেমনি মানবজীবনের কল্যাণেরও আলোচনা করে।'৩ এখানেই কবিতার ধারা বিদ্যমান থাকে
এটা ঠিক, অভিজ্ঞতাকে অবলম্বন করে অনুরূপতা ও অপরূপতা কবিতায় গভীরতা পায় ।মন ও মননে গোপনীয়তাকে ভাবের আধারের অংশে কবিতা ও অর্থনীতির বীজ লুকিয়ে থাকে।
কবিতার ব্যাখ্যা হলো একটি তুলনামূলকভাবে সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ, যা একটি কবিতা গঠনকারী শব্দ, চিত্রকল্প এবং অন্যান্য ক্ষুদ্র এককের সম্ভাব্য অর্থ ও সম্পর্ক বর্ণনা করে। একজন কবি তার কবিতার বিষয়বস্তুর সাথে এর কাঠামোগত বৈশিষ্ট্যের সংযোগ স্থাপনের একটি কার্যকর উপায় বের করেন। এই হ্যান্ডআউটটিতে কবিতার লেখার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কৌশল পর্যালোচনা করা যেতে পারে এবং এতে নমুনা ব্যাখ্যার অংশবিশেষে অন্তর্ভুক্তকরা যেতে পারে। মূলত, আধুনিক কবিতার ক্ষেত্রে অন্তরঙ্গ ও বহিরঙ্গের মেলবন্ধনে চলেছে নিত্য নতুন পরীক্ষা। বলা চলে,
' বিশ্ব কবিতার ভাবতরঙ্গ অস্থির করে তুললো বাংলা কবিতার ক্ষেত্রকে। শুরু হলো ভাঙাগড়ার কাজ। আজ বাংলা কবিতার অন্তরঙ্গ ও বহিরঙ্গ- উভয় ক্ষেত্রেই চলেছে দ্রুত পরিবর্তন , চলেছে নিত্যনতুন পরীক্ষা।'৪
অর্থনীতিতে মানুষ তার শ্রমের মাধ্যমে সম্পদ বৃদ্ধিতে মনোযোগ এবং কল্যিণ বৃদ্ধিতে আগ্রহী হয়, যেখানে দৈনন্দিন জীবনের কাজকর্মের প্রাধান্য থাকে। তাছাড়া প্রতিটি মানুষই নানা কাজ করে আয় করার জন্য এবং আয়ের দ্বারা দ্রব্য সামগ্রী কেনার জন্য। এই ভাবে জীবনযাপণের উন্নতির মাধ্যমে নানাভাবের মাধ্যমে অনুভবের লিপিবদ্ধ প্রকাশই ললো কবিতা। পৃথিবীর বেশীর ভাগ দেশে মানুষ বাস করে গ্রামে। তাই অর্থনৈতিক দিক থেকে গ্রামোন্নয়নই বিশেষভাবে প্রয়োজন।বলা চলে,
' গ্রামীণ উন্নয়ন হলো গ্রামের সম্পদের , সাথানীয় মানুষের সর্বোত্তম শারীরিক ও যৌগিক বিকাশ যা গ্রামীণ জনগনের প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক, কাঠামোগত ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন আনা, যার মাধ্যমে অঞ্চল ও জনগনের সামগ্রিক উন্ন য়ণ সাধন করা সম্ভব।
' সাধারণ অর্থে গ্রামীন উনান য়ণ হলো একটি কৌশল যার মাধ্যমে একটি বিশেষ জনগোষ্ঠীর তথা গ্রামীণ দরিদ্রদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের চেষ্টা করা হয়। এদের মধ্যে রয়েছে ক্ষুদ্র ও ভূমিহীন কৃষক সম্প্রদায়।'৫
কবিতা লেখার আগে আত্ম ব্যাখার বা ভাবকে একীভূত করার বিশেষ প্রয়োজন এবং লেখার
সম্ভাব্য পথগুলো উন্মোচন করতে প্রথমে স্থিতধী হতে হয় , তারপর সৃষ্টিতে মগ্ন হতে মনোযোগী হতে হয় এবং গঠনগত বৈশিষ্ট্যে শব্দ ও ভাবের সংবাহনে কবিতা
রচনা করতে হয়। কবিতা সৃষ্টির সমান্তরাল ধারায় গীতিকবিতার প্রাধান্যে ও প্রভাবে অনুভবের গভীরতা ও সৌন্দর্য আভিব্যাঞ্জনাময় হয়ে ওঠে যা বাংলায় নব্য-ক্লাসিকতার দিক হিসাবেই চিহ্নিত করা হয়। বলা চলে,
'নিজ নিজ কল্পনার বৈচিত্র্য, অনুভূতির প্রগাঢ়তা ও সৌন্দর্যের অভিব্যাঞ্জনা অপরূপ গীতি কবিতায় রূপ পায়। বাংলাদেশের আধুনিক
যুগেও খানিকটা পাশ্চাত্ত্য গীতিকবিতার প্রভাবেই বাংলা গীতিকবিতার গোড়াপত্তন হয়।'৬
কিভাবে সীমিত উপকরণকে বিবমীনান বাযবহালেল মধ্য সর্বোত্তম বন্টন করা যায়, তা সাথির করাই অর্থনীথিল কাজ। কিভাবে দ্রব্যের দাম নির্ধারিত হয়, কিভাবে উৎপাদনের উপিদিনের দাম নির্ধারিত হয়, কোন্ দ্রব্যের উৎপাদনে কোন্ উপাদান কতটা লাগবে এই সমস্ত নির্ণয় করাই অর্থনীতির কাজ এবং এখানে সমবায়ের সামগ্রিকতার বিশেষ অংগন থাকে, কবিতারও বিন্যাস। বলা যায়,
' আমরা জানি যে একটি গাছের শিকড় যত গভীরে এবং মাটির নীচে বিস্তৃত শিকড়জাল তৈরী করবে, ঝড় কখনো গাছটিকে কাবু করতে পারবে না; ঠিক তেমনই সমবায়ের সদস্য নির্ভর জাল এবঃ বিভিন্ন সমবায়ের অন্তর্জাল যদি শক্তিশালী হয় তবে মানুষের গনচেতনাকে আন্দোলিত করে নানা উদ্যোগ গঠন করা যায় ও সমাজের নানান অন্যায় ও বাজার অর্থনীতির দমন- পীড়নের মোকাবিলা করা যায়।'৭
মূলত মানুষের গনচেতনার মধ্যেই কবিতার বীজ লুকিয়ে থাকে। ভাষাগত ও গঠনগত উপাদানে গভীরভাবে প্রবেশের মধ্যেই কবিতাটির সামগ্রিক চিত্রটি জরুরি ভাবে বিদ্যমান থাকে। একটি কবিতার সার্বিক বার্তা সৃষ্টি ও মূল্যায়নের সহায়ক হয়। কবি তার নিজস্ব অভিজ্ঞতা ও সামগ্রিকতা আত্মপ্রতিক্রিয়া ও আবেগঘন বিশেষায়ণ ও বিশ্লেশায়ণের মধ্যদিয়েই, শব্দ ও ভাব-ব্যবহার্যে কবিযা সৃষ্টি করে চলেন। এ ক্ষেত্রে আত্ম অর্থনীতির প্রবর্তন থাকে, থাকে প্রকৃথির অনবদ্যতা ও অনন্যতা। কবি লেখেন,
'আকাশের নীল মাঠে
খেলা করছে শুভ্র মেঘেরা
আমি বেরিয়েছি অপরাহ্ন ভ্রমনে
একা একা
ভাবনারা ডানা মেলে উড়ে আসছে আমার মনের দিগন্তে।
মন বলল, চলো উড়ে বেড়াই তাদের সাথে
আমি বললাম, আজ উড়তে চাই না
চলো হেঁটে বেড়াই সাহিত্যের পাড়াতে
অথবা
খেলি গগনের মেঘের মতো শব্দের সাথে।
সে বলল, ভ্রমণ করা যাক আজকে
শুরু করলাম হাঁটা
প্রথমে সাক্ষাৎ ঘটলো কবিতা সঙ্গে
তারপর দেখা করতে এলো গল্পরা
তাদের কথা বলে চললাম প্রবন্ধের বাড়িতে।'৮
অর্থনীতিতে মানুষ তার ভোগব্যয় ও বিনিয়োগ ব্যয়ের মধ্যে থাকে। মানুষের মধ্যেই কবিগন কবিতা সৃষ্টিতে মনন ভোগব্যয় ও কবিতার বই প্রকাশের মধ্যে বিনিয়োগ ব্যয়ের অবস্থানে থাকেন। একথা সত্য, সমাজ ব্যবস্থায় প্রধানত বাজারের মাধ্যমেই অর্থনৈতিক কাজকর্ম সম্পাদিত হয় ,যেখানে উপকরণ ব্যবহারের দক্ষতাও পারকাশিত হয়। আমরা জানি,
'দেশের উপাদানের পরিমান সীমাবদ্ধ বা আপ্রচুর এবং এই উপাদিনগুলির আবার বিকলাপ ব্যবহার আছে অর্থাৎ বিভিন্ন উৎপাদন কার্যে এগুলি নিঅয়োগ করা যায়। যেহেতু এই উপাদানগুলির মোট পরিমাণ সীমাবদ্ধ, সেহেতু কোনো একটি উৎপাদন কার্যে বেশি উপাদান নিয়োগ করলে অন্য উৎপাদন কার্যে এই ঊপাদান নিয়োগের পরিমাণ কম হবে। যে দ্রব্যটি উৎপাদনে অধিক উপাদান নিয়োগ করা হবে সেই দ্রব্যটির উৎপাদন তেমন অধিক হবে, অন্যদিকে তেমনি যে দ্রব্যের উৎপাদনে কম উপাদান নিয়োগ করা হবে, সেই দ্রব্যটির উৎপাদন কম হবে।' ৯
পূর্বাপর অবস্থানে ও প্রবর্তণে কবিতা হলো কোনো ভাবের শনাক্তকরণের মধ্য দিয়ে কোনো নির্দিষ্ট বক্তব্য বা ভাবের সাধারণ কিংবা অসাধারণ বিকাশ পূর্ণ আরোপে উপস্থাপিত ও উদ্ভাবিত হয়। তবে কবিতা সৃষ্টির পর কবিতা বিশ্লেষণেরও একটা আবেশ দরকার। বলা চলে,
কবিতা সম্পর্কে নানা, 'প্রশ্ন বিবেচনা করার পর মনে রাখবেন যে, কবিতাটি যদি আপনাকে তখনও বিভ্রান্ত করে বা আপনার সম্পূর্ণ বোধগম্যতার বাইরে থেকে যায়, তাতে কোনো সমস্যা নেই। বস্তুত, একটি কবিতা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করার সময় এই রহস্যময় অনুভূতিটি আরও চিন্তাভাবনাকে উৎসাহিত করতে পারে। ভাষার সূক্ষ্মতাগুলো নিয়ে সাবধানে ভাবতে থাকুন এবং আপনি হয়তো আপনার ব্যাখ্যার মাধ্যমে এই অনুভূতির কিছুটা প্রকাশ করতে সক্ষম হবেন।' ১০
সর্ব প্রসারিত ও প্রকল্পিত ভাব ও ভাবনার বিস্তারে বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে লেখা বিখ্যাত — যে অর্থনীতিবিদ যা অধ্যয়ন করেন, তার মধ্যে কিন্তু কবিতা বিদ্যমান।কারণ কবিতা ও জীবন অবিচ্ছিন্ন, আবার অর্থনীতি ও কবিতা নিরবিচ্ছিন্ন। একটি কবিতা দিয়ে শেষ করা যাক,
'সমান্তরালে কবিতা ও
অর্থনীতি
প্রিয় রীতি
হয়ে
অভ্যুদয়ে
মানব তীর্থে ঢেউ তোলে
প্রকাশ্যে ও অন্তরালে।
কবিও মানুষ
অর্থনীতিবিদও মানুষ।
মননে ও প্রকর্ষণে সবারই প্রচেষ্টা
মানবকল্যান
আর সুখ-শান্তির সহাবস্থান।'১১
তথ্যসূত্র
১. অধ্যাপক পি. আচার্য, প্রবন্ধ বিচিন্তা; ক্যালকাটা পাবলিশার্স; কলকাতা-৯; ১৯৭৭; পৃ-২২৬;
২. ড. স্বপন কুমা লাহা; সাতরা পাবলিকেশন; রাজা রামমোহন সরণী; কল-০৯; ২০১৩;পৃ-৩;
৩. জয়দেব সরখেল; আধুনিক অরাথনীতির ভূমিকা; বুক সিন্ডিকেট প্রা.লি.; কল-৭৩; ২০১১;পৃ-৫;
৪. ১- নং-এর মতো;
৫. সুদীপ রায় ও ড. আলপনা রায়; গ্রামীণ উন্নয়ন; হর্ণবিল বুকস; কল-৬১; ২০২৩; পৃ- ১৭-১৮;
৬. অসিত বন্দ্যোপাধ্যায়; বাংলা সাহিত্যের পূর্ণ ইতিবৃত্ত; মডার্ণ বুক এজেন্সী প্রা.লি., কল-১২; ১৯৭১; পৃ-৫১৪;
৭. পার্থ ভট্টাচার্য; উন্নত বিশ্ব, টেকসই উন্নয়ন ও সমবায়; 'ভান্ডার' পত্রিকা, আচার্য প্রফুল্ল সমবায় ভবন; বিধাননগর, কল-৬৪; নভে., ২০২৫; পৃ-৪১-৪২;
৮. মো. এজাজ আহামেদ; পড়ন্ত সন্ধ্যা; নোশন প্রেস; চেন্নাই-৬০০০০৮; ২০২৩;
৯. হারাধন ঘোষ ও সৌম্যকান্তি ঘোষ; উচ্চমাধ্যমিক অর্থনীতি; নবভারতী প্রকাশনী; কল-০৯; ২০১৬; পৃ-১৬;
১০. www. net;
১১. তাৎক্ষণিক কবিতা; লেখক, এম.দাস;

