গোলাম রসুল- এর দুটি কবিতা
প্রথম বাতাস
গোলাম রসুল
প্রথম বাতাস
নক্ষত্রের আলোর ধারে একটা পাল
মহাবিশ্বের বিশাল জাল সরে সরে যাচ্ছে
জলকে আরও উঁচুতে বহন করছে মেঘ
পৃথিবীর বিশাল ছায়াকে ঢেকে নিয়ে
ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টিতে ভাগ হচ্ছে মাঠ শহর আর জীবন
একটা স্তম্ভ বৃষ্টির স্মৃতি মনে করছিলো
সমাধিগুলো বেহালা বাজাচ্ছিলো আকাশের সাথে মিলে যাবে বলে
বাঘের ছায়াসহ অরণ্যের ছোপ ছোপ দাগ আকাশকে করে তুলেছিলো কালিমালিপ্ত
সমুদ্র আর আকাশ এক রৈখিক
ভাঁজ করা দাঁড় আর বাজ
প্রথম আগুন
প্রথম জল
তাদের ভাষা
এবং দূর একটি রুটি গাছ
এই মুহূর্তে লেখা একটি কবিতা
গোলাম রসুল
তারাদের বহুসাংস্কৃতিক অঙ্গীকারের জন্য আকাশ অসীম
কিন্তু মেঘ আর কুয়াশার আড়ালে ক্রমশ মিলিয়ে যাচ্ছে আকাশের জনজাতিরা
শরৎকাল
বৃষ্টির ফোঁটার মতো সন্ধ্যা নামছে
বৃষ্টির ধারে একটা পাল উড়ছে
এবং বাতাসও জানে না তার স্বদেশ কোনদিকে
জট পাকানো মানুষ
লবণ আর বেহালার দৃশ্য
কবরগুলো বিষণ্ণ দ্বীপের মতো
এবং মেঘাচ্ছন্ন কেউ বৃষ্টি তুলে নিচ্ছে
এই মুহূর্তে লেখা একটি কবিতা
এবং তার শেষে অসীম শূন্যতা
